আস্ক প্রশ্নে আপনাকে স্বাগতম ! এটি একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। এই সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ...
52 বার প্রদর্শিত
06 জুন 2018 "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (1,666 পয়েন্ট) 37 269 911

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
25 নভেম্বর 2018 উত্তর প্রদান করেছেন (2,778 পয়েন্ট) 102 264 389



 

তওবা (আরবি: توبة) একটি আরবি শব্দ যার অর্থ প্রত্যাবর্তন করা, ফিরে আসা।
কোরআন এবং হাদীসে শব্দটি আল্লাহর নিষেধকৃত বিষয়সমূহ ত্যাগ করা ও তার আদেশকৃত বিষয়সমূহর দিকে ফিরে আসা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ইসলামী ধর্মতত্ত্বে শব্দটি নিজের কৃত পাপের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, এবং তা পরিত্যাগের দৃঢ় সংকল্পকে বোঝায়।

অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে, এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন; আল্লাহ মহাজ্ঞানী রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমনকি যখন মাথার উপর মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে - আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফুরি(অবাধ্য) অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। — কুরআন, সূরা ৪ (আন-নিসা), আয়াত ১৭-১৮

গোনাহ বা অন্যায় কাজ থেকে তাওবা করা আবশ্যক কর্তব্য। ওলামায়ে কেরাম তাওবা করাকে ওয়াজিব বলেছেন। গোনাহ যদি আল্লাহ এবং বান্দার মধ্যকার বিষয় হয় এবং কোনো বান্দার সম্পৃক্ততা না থাকে, তবে তাওবা কবুল হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পালন করা আবশ্যক। যা তুলে ধরা হলো-

প্রথম শর্ত- বান্দাকে গোনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে।
দ্বিতীয় শর্ত- বান্দাকে কৃত গোনাহের জন্যে আল্লাহর নিকট অনুতপ্ত হতে হবে।
তৃতীয় শর্ত- পুনরায় গোনাহ না করার ব্যাপারে বান্দাকে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হতে হবে।
এই তিনটি শর্তের মধ্যে যদি একটি শর্তও লংঘন হয় তাহলে তাওবা কখনো শুদ্ধ হবে না। পক্ষান্তরে গোনাহের কাজটি যদি বান্দার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়, তবে সে ক্ষেত্রে উপরোল্লিখিত তিনটি শর্তের সঙ্গে আরো একটি শর্ত যুক্ত হবে।
চতুর্থ শর্ত- অপরাধী ব্যক্তি হকদার ব্যক্তির হক আদায় করতে হবে। যেমন- কেউ যদি অন্যায়ভাবে ধন-মাল বা বিষয়-সম্পত্তি জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে দখল করে নেয়, তবে তা ফেরত দিতে হবে। কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিলে অপরাধীকে নির্দিষ্ট হদ বা শাস্তি ভোগ করতে হবে, নতুবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। এমনকি কারো অনুপস্থিতিতে গীবত-শেকায়াত করলে সে ব্যাপারেও ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।

সুতরাং আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুসলিমাকে তাওবার পূর্বে উপরোল্লিখিত চারটি শর্ত পালনের মাধ্যমে পরিপূর্ণ তাওবা করে আল্লাহ পথে ফিরে আসার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
07 এপ্রিল 2018 "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শামীম মাহমুদ (7,783 পয়েন্ট) 490 1429 2522
1 উত্তর
03 অগাস্ট 2018 "ইসলাম ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sirazul islam (2,722 পয়েন্ট) 30 191 531
1 উত্তর
15 নভেম্বর 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রাজকুমার (26 পয়েন্ট) 1 12

27,610 টি প্রশ্ন

29,357 টি উত্তর

3,122 টি মন্তব্য

2,494 জন সদস্য



আস্ক প্রশ্ন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

  1. Nazmul Haque

    60 পয়েন্ট

    5 উত্তর

    5 প্রশ্ন

  2. লেখক

    53 পয়েন্ট

    1 উত্তর

    0 প্রশ্ন

  3. Mohsin

    50 পয়েন্ট

    0 উত্তর

    0 প্রশ্ন

  4. sharon

    50 পয়েন্ট

    0 উত্তর

    0 প্রশ্ন

  5. রাইসুল

    50 পয়েন্ট

    0 উত্তর

    0 প্রশ্ন

শীর্ষ বিশেষ সদস্য

33 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
...