আস্ক প্রশ্নে আপনাকে স্বাগতম ! এটি একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। এই সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ...
64 বার প্রদর্শিত
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (2,716 পয়েন্ট) 25 144 478

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,312 পয়েন্ট) 5 11 31

গর্ভধারণ সৃষ্টিকর্তার অসীম করুণা, যদি আপনার কাছে তা কাঙ্খিত হয়। আবার অনেকে অনাকাঙ্খিতভাবেও গর্ভধারণ করেন। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন আপনি গর্ভবর্তী কি না? আপনার পিরিয়ড মিস হওয়ার কাছাকাছি সময়ে বা এক দুই সপ্তাহের মধ্যে গর্ভধারণের কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ৬০ ভাগ নারীর গর্ভধারণের কিছু লক্ষণ দেখা দেয় এবং ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ নারী এসব লক্ষণ অনুভব করতে পারেন।

আপনি যদি পিরিয়ডের হিসাব না রাখেন অথবা আপনার পিরিয়ড যদি নিয়মিত না হয়, তবে আপনি হয়তো বুঝতে পারবেন না কখন পিরিয়ড হওয়া উচিত। এমন সময় আপনি হয়তো সময়মতো পিরিয়ড না হওয়ার কারণ নিয়ে চিন্তিত। তখন যদি আপনি নিচের কোন একটি উপসর্গ নিজের মাঝে দেখতে পান, তবে তা গর্ভধারণের লক্ষণ হতে পারে। নিশ্চিত হতে নিচের উপসর্গগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন এবং বাসায় বসেই প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে টেস্ট করে নিতে পারেন।

স্তনের আকার পরিবর্তন

স্তন ফোলা, নরমভাব, ব্যথা বা আকার পরিবর্তন হওয়া হচ্ছে গর্ভবতী হওয়ার প্রথম লক্ষণ। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন বা নিপল ফোলা, নরমভাব, ব্যথা বা আকার পরিবর্তনের কারণ হলো বাচ্চার দুধপানের উপযোগী হয়ে উঠা। এটা ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে।

বমিভাব

বমি বমিভাব মর্নিং সিকনেস বা সকালের অসুস্থতা হিসেবে পরিচিত। এটা দিনের যেকোনো সময় অথবা সারা দিনই হতে পারে। এটা গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে হয়ে থাকে। এই হরমোন হজোম পক্রিয়ায় প্রভাব ফলে। তাই বমিভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং এসিডিটি দেখা দেয়। সাধারণত সংবেদনশীল ইস্ট্রোজেন নির্গত হওয়ার কারণে হয়।

অবসাদগ্রস্ত

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা এমন একটা সময় যখন খুব কঠিনভাবে নারীদের শরীরিক ও হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। এর মানে হরমোনের উৎপাদনের বেড়ে যায়। পাশাপাশি হার্টের ধুকপুকুনি দ্রুতগতিতে বেড়ে যাওয়া কারণে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। ভ্রুণের বেড়ে উঠার জন্য এগুলো প্রয়োজন। প্রোজেস্টেরনের বৃদ্ধি অবসাদগ্রস্ত হওয়ার প্রথামিক ধাপ। আর অধিকাংশ গর্ভবতী নারী এটা তাদের প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় সম্মুখীন হয়।

পিরিয়ড না হওয়া

গর্ভাবস্থার সব থেকে সাধারণ কারণ পিরিয়ড না হওয়া। আর এই প্রাথমিক লক্ষণই গর্ভবতী বলে ধারণা দেয়। একমাত্র পরীক্ষার মধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় গর্ভবতী কি না। আর এই দেরিতে বা পিরিয়ড না হওয়ায় যদি বলে দেয় গর্ভবতী, তবে পরবর্তী ধাপে ঋতুস্রাব বা অ্যামেনারিয়া অনুপস্থিতিতে এটি বোঝা যায়।

হালকা রক্তপাত হওয়া

শুরুর দিকে গর্ভাবস্থায় হালকা রক্তপাতের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ইমপ্লান্টেশন। এটা তখনই ঘটে থাকে যখন উর্বর ডিম্বানুগুলো জরায়ু লাইনে থেকে যায়। এটা সাধারণত গর্ভধারণের ১০ থেকে ১৪ দিন পরে ঘটে।

পেটে চাপ অনুভব

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থায় পেটে চাপ অনুভব হওয়া পিরিয়ডের সময় চাপ বেধে আসার মতোই। এটা তখনই ঘটে যখন ভ্রুণের বিকাশে স্থান তৈরিতে জরায়ুকে প্রসারিত করে।

গর্ভাবস্থায় শরীরে রক্তের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। এটা কিডনিকে অতিরিক্ত চাপ দেয়। এর ফলে ব্লাডারে অতিরিক্ত চাপ অনুভব হয়। যার কারণে বমি হয়। এ জন্য আমাদের পাকস্থলি খালি হয়ে যায়। অধিকাংশ নারীর এই সময়টা সামলে নিতে কষ্ট হয়। বমি বমিভাবের কারণে ক্ষুধা কমে যায়। কিছু খাবার অথবা ফলের গন্ধের জন্য বমি বমিভাব হতে পারে। এই সময় ঘন ঘন প্রসাব, বমি এবং অনেক ক্লান্তভাব দেখা দেয়। এজন্য অধিকাংশ নারীর এই সময়টা ঘুমের প্যার্টান পরিবর্তন হয়।

ধন্যবাদ। 

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (232 পয়েন্ট) 3 4 10
গর্ভধারণ যে কোনো বিবাহিত নারীর জন্যই আনন্দদায়ক। নিজ দেহের ভেতরে নতুন একটি প্রাণের আগমন। এটি জানতে কার না ভালো লাগে।

অনেক সময় দেখা যায়, কোনো কোনো নারী গর্ভধারণের বেশ কয়েক মাস বুঝেই উঠতে পারেন না তিনি গর্ভবতী কিনা। গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস বাচ্চার নিরাপত্তার স্বার্থে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

কেউ গর্ভবতী কিনা একটু সতর্ক হয়ে কয়েকটি লক্ষণ মিলিয়ে নিলে তিনি ঘরে বসেই এই সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন।

* নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড হয়েছে কি? প্রতিমাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নারীদের পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ দিন পর পর)। যদি ২৮ দিন পর পিরিয়ড না হয়, তাহলে আপনি হয়তো গর্ভধারণ করেছেন। অন্যান্য লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন।

* পিরিয়ডের সময় যদি স্বাভাবিক রক্তপাতের বদলে খুব সামান্য পরিমাণ রক্তপাত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়, এই চিহ্নটিকে অবহেলা করবেন না। এটি গর্ভধারণের লক্ষণ হতে পারে।

* সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি প্রচণ্ড দুর্বল, মাথা ঘোরা ও বিষণ্ণ লাগে এবং সেই সঙ্গে প্রায়ই হজমে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় তা হতে পারে, আপনার গর্ভধারণের অন্যতম লক্ষণ।

* হঠাৎ করে যদি সারাক্ষণ নিজেকে ক্লান্ত মনে হয় এবং সময়ে অসময়ে কেবল ঘুমাতে ইচ্ছে করে, যা আপনার স্বাভাবিক রুটিনের বাইরে, অন্যান্য লক্ষণগুলোর সাথে এই লক্ষণ জানিয়ে দেয় আপনি হয়তো গর্ভধারণ করেছেন।

* বার বার প্রস্রাবের চাপ খেয়াল করুন, আপনি কি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিবার, বার বার প্রস্রাবের চাপ অনুভব করছেন? গর্ভধারণের অন্যতম লক্ষণ এটি।

* গর্ভধারণ করার ফলে আপনার স্তনের আকৃতি কিছুটা বৃদ্ধি পাবে ও নিপল গাঢ় রঙ ধারণ করবে।

* প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার স্ট্রিপ সাধারণত ঔষুধের দোকানে পাওয়া যায়। প্রথম পিরিয়ডের ডেট মিস করার পরদিনই এটি দিয়ে টেস্ট করুন। সাধারণত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম প্রস্রাবে স্ট্রিপটি ডুবিয়ে রেখে পরীক্ষাটি করা সম্ভব।

বিস্তারিত নির্দেশনা প্যাকেটেই লেখা থাকে। সাধারণত প্রথম এক মাসেই এটি ভালো নির্ণয়ের কাজ দেয়। এ থেকে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনি গর্ভধারণ করেছেন কিনা।

তবে যদি ফলাফল নেগেটিভ হয় এবং সেই সাথে পিরিয়ড বন্ধ থাকে, তাহলে কিছুদিন পর আবারো পরীক্ষা করুন। সবশেষে আপনি যদি গর্ভধারণ করে থাকেন, তাহলে দেরি না করে অতি শিগগির ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের সুরক্ষার জন্যে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
05 জুলাই 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sirazul islam (2,716 পয়েন্ট) 25 144 478
1 উত্তর
20 জুলাই 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
20 জুলাই 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
16 সেপ্টেম্বর 2019 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অা ক ম আজাদ (8,263 পয়েন্ট) 22 75 208

27,275 টি প্রশ্ন

28,965 টি উত্তর

3,087 টি মন্তব্য

2,203 জন সদস্য



আস্ক প্রশ্ন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এবং আপনি অন্য জনের প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

  1. Sagor hossain

    205 পয়েন্ট

    56 উত্তর

    13 প্রশ্ন

  2. রবিউল ইসলাম রাবি

    65 পয়েন্ট

    5 উত্তর

    0 প্রশ্ন

  3. মোরশেদ খান

    60 পয়েন্ট

    4 উত্তর

    2 প্রশ্ন

  4. জুয়েল রানা

    58 পয়েন্ট

    22 উত্তর

    2 প্রশ্ন

  5. মোঃআবদুল্লা আল মারুফ

    50 পয়েন্ট

    0 উত্তর

    0 প্রশ্ন

শীর্ষ বিশেষ সদস্য

117 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
71 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
27 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
10 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
7 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম
...